নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়াঃ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের,খুটাখালী ইউনিয়নস্হ মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটের অধিন,মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত রির্জাভ বনভূমিতে গর্জনতলী নামক এলাকায় পাঁকা বাড়ী তৈরী অভিযোগ ডুলাহাজারা বনবিটের হেডম্যান আব্দুল গণির বিরুদ্ধে।
হেডম্যান আব্দুল গণি,ডুলাহাজরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিংভং ছগিরশাহ কাটার সোয়াজানিয়ার বাসিন্দা।
স্হানীয়রা জানান,খুটাখালীর গর্জনতলীর এক ভদ্রলোক হেডম্যান আব্দুল গণিকে ৬লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গাটি বিক্রি করেন।পরে ওই জায়গাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চর্তুপাশে বাউন্ডারি সহ পাঁকা দালান কাজ শুরু করেছেন হেডম্যান গণি।এবিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলে,উনারা এসে উচ্ছেদ অভিযানে চালিয়েছিল।কিন্তু ওই হেডম্যান গত রবিবার এসে কাজের মিস্ত্রী এনে পুণরায় কাজ করার জন্য প্ল্যান করেছে।তাহলে কি বনবিভাগের অভিযান নাটকীয় প্রশ্ন সচেতন মহলের।
হেডম্যান আব্দুল গণি জানান-খুটাখালীর গর্জনতলীতে যে জায়গা ক্রয় করেছি।সেটি আমার বোনের জন্য,আমার জন্য নয়।আমি বোনকে সহযোগিতা করছি মাত্র।ওখানেতো শত-শত পাঁকা-সেমিপাঁকা,কাঁচা ঘরবাড়ি রয়েছে।এখন আমারটা নিয়ে এতো টানাটানি কেন বুঝলাম না বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন হেডম্যান গণি।আমার বোনের জন্য ছোট একটি ঘর নির্মাণের সময় বনবিভাগ উচ্ছেদ অভিযান করে ভেঙ্গে দিয়েছে।
এবিষয়ে মেদাকচ্ছপিয়া বনবিট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলা উদ্দিন জানান,আমার দায়িত্বরত বনবিট এরিয়ায় নতুন কোন স্হাপনা করতে দিব না।সে কারণ হেডম্যান গণির নির্মাণধিন ঘর ভিত্তির শুরুতে গত ১০ সেপ্টেম্বর অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করে দিয়েছি।তাই এব্যাপারে শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।