রিয়াজ উদ্দিন, কক্সবাজার:
কক্সবাজার সদরের পি.এম.খালীর তোতকখালী এলাকায় টমটম ও সিএনজি ছিনতাই করার সময় জনগণের হাতেনাতে ধরা পড়ে কক্সবাজারের বৈদ্যঘোনা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাকিল(২৫); পালিয়ে যায় একই এলাকার আনোয়ার ও অজ্ঞাত আরো একজন।
শুক্রবার(৬ অক্টোবর) রাত ১২.৩০ টায় তোতকখালী এলাকায় এবং পরে পাশের গ্রাম ধাওনখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩সদস্য বিশিষ্ট একদল ডাকাত পি.এম.খালী ইউনিয়নের তোতকখালী এলাকায় একজন টমটম চালকের টমটম ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে জনগণের আনাগোনা হলে তারা তিনজনই পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু টমটমটির ব্যাটারির চার্জ না থাকার কারণে পথিমধ্যে তাদের সামনে একটি সিএনজি কামাল উদ্দিনকে সিগনাল দেয়। কামাল উদ্দিন আগে থেকেই টমটম ছিনতাইয়ের বিষয়ে অবগত থাকায় ডাকাতদের কাছ থেকে তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তার চিৎকার শুনলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে দুই সন্ত্রাসী পালালেও একজনকে হাতেনাতে ধরে। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ এ কল দিলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ রকিবুজ্জামান একদল ফোর্স পাঠিয়ে ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়দের আটককৃত ডাকাতকে আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা। আটককৃত ডাকাতের খবর শুনে পলাতক দুই ডাকাত পালিয়ে ধাওনখালীর দিকে পালানোর চেষ্টা করে। ঐ ধাওনখালী এলাকার খলিলিয়া ছিদ্দিকিয়া ফয়জুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার মওতুম মৌলানা মুসলিম উদ্দিনের ছেলে সোহেল তার মহিষের খামারে অবস্থান করছিল। তোতক খালী এলাকা থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে আঘাতপ্রাপ্ত সোহেল বের হলে দেখে পাশের নদীর তীরে সাকিল সহ লোকজনের শোরগোল শুনলে বের হয়ে দেখে ডাকাত সাকিল পালাচ্ছে। তৎক্ষনাত তাকে যখন ধরার চেষ্টা করে ডাকাত সাকিল এলোপাতাড়ি ছুরি চালালে সোহেলের গায়ে বিভিন্ন অংশে লাগে। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে সোহেল মাটিতে পড়ে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে ডাকাত সাকিলকে ধরার চেষ্টা চালায়। রাত ৩.৫০টায় ডাকাত সাকিলকে ধরতে সক্ষম হয় এবং কক্সবাজা্র সদর মডেল থানায় অবগত করলে এএসআই আবছারের নেতৃত্বে একদল ফোর্স এসে ডাকাত সাকিলকে জীবিত উদ্ধার করে।
শুক্রবার বিকাল ৪.৩০টায় ডাকাত সাকিল কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারা যায় বলে নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।