নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলীতে প্রকাশ্য দিবালোকে পাহাড় কেটে
সাবাড় করছে এক ব্যাংক কর্মচারী। কিছু অসাধু ব্যাক্তির
ক্ষমতাকে পূজী করে দিনরাত সরকারি খাস জমি শ্রেণীতে
পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ করার প্রয়াস চালাচ্ছে এই
ব্যাংক কর্মচারী। স্থানীয়রা বাধা দিলেও তা তোয়াক্কা না করে
পাহাড়কাটা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ
নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন
সচেতন মহল।
কক্সবাজার শহরের ৭ নং ওয়ার্ড এলাকার আগরি মসজিদের পাশে
সরকারি খাস শ্রেনীর জমিতে থাকা উচু পাহাড় কেটে সাবাড়
করছে মোহাম্মদ বাবুল নামের এক ব্যাংক কর্মচারী। জানা
গেছে উক্ত বাবুল কক্সবাজার সাইথইস্ট ব্যাংকের কর্মচারী। তিনি
দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়তলীস্থ ইসলামপুর হালিমা পাড়া এলাকায়
বসাবাস করেন। সম্প্রতী রোহিঙ্গা যুবক জোবায়েরের কাছ
থেকে পাহাড় সহ জমি কিনে নেন ব্যাংক কর্মচারী বাবুল। এর
পর থেকে সেই স্থানে প্রকাশ্য দিবালোকা সরকারি পাহাড় কেটে
সাবাড় করছে সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্মচারী বাবুল।
স্থানীয় ওসমান,নাছির সহ অনেকে জানান,সম্প্রতী এলাকায়
পাহাড় কাটার প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। অনেকেই জানেন
বর্তমানে নতুন কাউন্সিলর সম্প্রতী নালা নর্দমা পরিস্কার করে
এলাকাকে জলাবন্ধতা মুক্ত করার চেস্টা করছে তবে পরিস্কার করার
পরপরই আবার নালা গুলো পাহাড়ি বালু এসে ভরে যায়। মূলত কিছু
ব্যাক্তি এখানে প্রতিনিয়ত পাহাড় কাটছে ফলে বৃষ্টি হলে সেই
পাহাড়ি বালু আবার নালাতে চলে যায় ফলে আবার নালা ভরে যায়।
তারা বলেন,ব্যাংক কর্মচারী বাবুল সহ তার স্ত্রী পাহাড় কাটছে
সেটা জানার পরে আমরা তাদের বারন করেছিলাম কিন্তু তারা উল্টো
ঝগড়া করতে আসে। আর তারা পরিবেশ অধিদপ্তর,এসিলেন্ড অফিস
সহ সব জায়গায় নাকি ম্যানেজ করেছে তাই কোন নিয়ম
কানুনের তোয়াক্কা না করে পাহাড় কাটছে।
স্থানীয় আরিফ,মিনহাজ সহ অনেকে বলেন,স্থানীয় ভাবে আগরি
মসজিদ নামে পরিচিত মসজিদের পাশে রোহিঙ্গা জাবায়ের
থেকে জমি কিনেছে বাবুল। সরকারি জমি কিভাবে তিনি
কিভাবে কিনে আর কিভাবে একজন ব্যাংক কর্মচারী হয়ে
পাহাড় কাটে তাও প্রকাশ্য দিবালোকে। যতুটুক শুনেছি
সেখানে অনেক সাংবাদিকও এসে চাঁদা নিয়ে গেছে কেউ
নিউজ করেনি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মচারী মোহাম্মদ বাবুল বলেন,এটা
সরকারি খাস জমি এটা সত্য,আমি নোটারী করে কিনেছি
এরকম এই এলাকায় সবাই কিনেছে। আর পাহাড় কাটছি এটা
সত্য এখানে মুলত বাড়ি করার জন্য কিছু পাহাড় কাটতে হচ্ছে।
এ ব্যপারে কক্সবাজার সদর ভুমি অফিসের সহকারী কমিশনার ভুমি
মো: জিল্লুর রহমান বলেন,অনেক কাজে ব্যাস্ত থাকি তাই সব
কিছু দেখার সুযোগ হয় না। তবে অভিযুক্ত স্থানে দ্রুত
অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেব।