নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের ঈদগাঁও জুলাই স্মৃতি চর্চা ও পিঠা উৎসবকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। উৎসবের নামে অশ্লীল -বেহায়াপনা ও জুয়ার আসর আয়োজনের বিরুদ্ধে উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ফের ফুঁসে উঠেছে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারী ) বাদে আছর ঈদগাঁও বাজার ডিসি সড়কের উভয় পাশে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা জুলাই স্মৃতি চর্চা ও পিঠা উৎসবের নামে আইনশৃঙ্খলা ও নৈতিক চরিত্র অবনতিশীল এ কথিত উৎসব বাতিলের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেন ।
ঈদগাঁও বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব হাফেজ মওলানা জহিরুল ইসলামের আহবানে উপজেলার সর্বস্তরের জনতা এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। তারা দাবি করেন,বিগত আওয়ামী সরকারের এক যুগেও যেখানে ঈদগাঁওয়ে এ অশ্লীল মেলা আয়োজনের দু:সাহস কেউ করেনি। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিগত ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে উপজেলার তিনটি স্থানে একটি লোভি মেলা চক্র জুয়াড়িদের কালো টাকার অর্থায়নে বিভিন্ন ব্যনারে মেলার নামে অশ্লীল, বেহায়াপনা,মদ-জুয়া আসরের আয়োজনের চেষ্টা করে।আলেম ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বাঁধার মুখে বারবার ব্যর্থ হয়।
তাদের দাবি,ব্যর্থ মেলা চক্রটি বাঁধাদানকারীদের উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে এবার শিক্ষার্থী দাবিদার যুবকদের সরলতাকে পুঁজি করে পরোক্ষভাবে চলতি জানুয়ারী মাসের শুরু থেকে” জুলাই স্মৃতি চর্চা ও পিঠা উৎসব”নামে কথিত মেলার চেষ্টা করে।যাতে আলেম ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সাথে সহজ সরল শিক্ষার্থীদের বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। তাদের এ মেলা থেকে নিবৃত্ত করতে উপজেলার শীর্ষ আলমেরা তাদের দফায় দফায় বুঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। আয়োজকরা ১৬ জানুয়ারি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ইসলামাবাদের খোদাইবাড়ীতে উৎসব উদ্বোধন উপলক্ষে প্রচারণা শুরু করে। এ সংবাদে ক্ষুদ্ধ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যে কোন মুল্যে কথিত এ উৎসব প্রতিরোধের হুশিয়ারী দেন।প্রশাসনের কোন বিভাগ যদি এ উৎসব আয়োজনের পেছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকেন,তবে উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য তারাই দায়ী থাকবেন।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান,উৎসবটি জেলা প্রশাসক অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি যে নির্দেশনা দেন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।