নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা জনসম্পৃক্তির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জারা কনভেনশন হলে এই আলোচনা সভার আয়োজন করেন জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আজিজুর রহমান।
বক্তব্যে অধ্যাপক আজিজুর রহমান বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত জনগণের কল্যাণের জন্য, আগামীর রাষ্ট্র হবে জনসাধারণের রাষ্ট্র, যেখানে কোন অনিয়ম দুর্নীতি থাকবে না, সবার সমঅধিকার থাকবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ স্বৈরশাসক দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে নিয়েছিল। ছাত্র জনতা মিলে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশকে আবার দ্বিতীয়বার স্বাধীন করেছে। তাই দেশ গঠনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সহ—সভাপতি মো রফিক, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ কক্সবাজার জেলার সভাপতি নাছির উদ্দীন বাচ্চু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ—সভাপতি মাহসুমুল ইসলাম রাসেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুল হক মুন্না, কক্সবাজার পৌর বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফজলুল হক, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, আরাফাত রহমান, কোকো ক্রীড়া সংসদ রামু উপজেলার সভাপতি মনছুরুল হক, আরাফাত রহমান, সহ—সভাপতি শাহাজান মিয়া, সহ—সাংগঠনিক ফাইসেল শরীফ, কক্সবাজার পৌর যুবদলের ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম, কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদু সিকদার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক স্কুল বিষয়ক সম্পাদক জাফর আলম, সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান নিলয়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোঃ সেলিম, আব্দুর রহিম, ৩ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি রবিউল আলম রবি। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ—সভাপতি শাহ মোশারফ হোসেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিনহাজ উদ্দীন রিপনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় কক্সবাজার শহর, উপজেলা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি, অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী স্বতঃস্ফুর্ত অংশ নেয়। অনুষ্ঠান শেষে অধ্যাপক আজিজুর রহমান উপস্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে মেজবানি খাবারের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয়।