হায়দার নেজাম:
কক্সবাজার জেলা অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জালাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক সহ ৫ জনের বিরূদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট, আমলী আদালত, সদর, কক্সবাজারে সমিতির লাইন সম্পাদক আবছার মিয়ার দায়েরকৃত ২ কোটি ৪১ লাখ ৯২ হাজার টাকা প্রতারনামূলক আতœসাতের মামলায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন পুলিশ।মিলেছে সত্যতা।
মামলার বাদী আবছার মিয়ার দায়ের করা লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানাযায়, আবছার মিয়া কক্সবাজার জেলা অটো টেম্পো সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং- ১৪৯১) এর একজন সদস্য, যাহার সদস্য নম্বর- ৯১৬ ও লাইন সম্পাদক। আসামীগণ ককসবাজার জেলা অটো রিক্সা টেম্পো সড়ক পরিবহনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, প্রচার সম্পাদক ও লাইন সম্পাদক হয়। মামলার বাদীর সংগঠন কক্সবাজার জেলা অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের মোট সদস্য সংখ্যা ১,৬৮০ (এক হাজার ছয় শত আশি) জন। আসামীগণ বিগত ২২/১০/২০১৮ ইংরেজী তারিখ হইতে অত্র পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আসামীগণ বিলকিছ মার্কেট, কলাতলী, বাস টার্মিনাল, লিংক রোড ষ্টেশনসহ ১৬টি ষ্টেশন লাইন থেকে ১,৬৮০ (এক হাজার ছয়শত আশি) জন সদস্যদের প্রতি সদস্যের নিকট হইতে বাদীর প্রতিষ্ঠানের নামে কল্যাণ ফিঃ বাবদ ০১/১১/২০১৮ ইংরেজী তারিখ হইতে ২৫/০৫/২০২৩ ইংরেজী তারিখ পর্যন্ত দৈনিক ১০/- (দশ) টাকা করে সর্বমোট- ২.৪১,৯২,০০০/- (দুই কোটি একচল্লিশ লক্ষ বিরানব্বই হাজার ) টাকা সংগ্রহ করেন। উক্ত শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি ভর্তি বাবদ প্রতি জনের নিকট হইতে ২,০০০/- (দুই হাজা) টাকা করে ২২০ ( দুই শত বিশ) জনের নিকট হইতে ৪,৪০,০০০/- (চার লক্ষ চল্লি হাজার) টাকা ও কার্ড নবায়ন ১,৪৬০ জন সদস্য হতে ২০০- (দুই শত) টাকা করে ২,৯২,০০০/- (দুই লক্ষ বিরানব্বই হাজার) টাকা সংগ্রহ করেন। জেলা অটো টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সংবিধানে অনত্রে শাখা প্রদানের বিধান না থাকা সত্ত্বেও আসামীগণ পরস্পর যোগসাজসক্রমে বে- আইনী ও নিয়ম বহির্ভুত ভাবে বিভিন্ন উপজেলায় শাখা প্রদান করে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা সংগ্রহ করেন। বাদীর প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার জেলা অটো টেম্পো সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নামীয় রুপালী ব্যাংক লি: কক্সবাজার শাখায় প্রতিষ্ঠানের নামীয় একাউন্ট নং- ৩০৬৭-এ বিগত কমিটির ইজা বাবদ ৫,০০,০০০/(পাচঁ লক্ষ) টাকা সহ সর্বমোট ২,৬৪,২৪,০০০/-( দুই কোটি চৌষট্টি লক্ষ চব্বিশ হাজার )টাকা আসামীগণ সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত ও পরস্পর যোগসাজসক্রমে বিশ্বাসভংগ ও প্রতারনা মূলত ভাবে আত্মসাৎ করে।মামলার বাদী আবছার মিয়া আসামীদের বিশ্বাস ভংগ ও প্রতারনার বিষয় উপলব্দি করত: বিভিন্ন দপে সংগঠনের নামে সংগৃহীত টাকা ও রুপালী ব্যাংক লিঃ ককসবাজার শাখার ৩০৬৭ নম্বর হিসাবের টাকার হিসাব প্রদানের জন্য আসামীদের বরাবরে মৌখিক ও লিখিত ভাবে আবেদন করেন। আসামীগণ বাদী কর্তৃক দাখিলকৃত দরখাস্তের বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ না করে অধীন বাদীর ক্ষতিসাধন করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি ও বেকø মেইলিং করিতে থাকে। অতপর বাদী বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে বিগত ১৯/০২/২০২৩ ইংরেজী তারিখ আসামীদের বরাবরে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন। এর পরও আসামীগন ইতিবাচক কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে জেলা লিগাল এইড অফিস, কক্সবাজার-এ অভিযোগ দায়ের করেন মামলার বাদী আবছার মিয়া। যাহার বিরোধ নং ২৭৪/২০২৩ ইং। আসামীগণ জেলা লিগাল এইড অফিসে উপস্থিত না হওয়ায় বিগত ২৮/০৫/২০১০ ইং মামলার বাদীর বরাবরে একখানা প্রতিবেদন প্রদান করেন। অসামীগন বিশ^াস ভংগ করে সম্পূর্ণ প্রতারণা মূলক ভাবে বিগত ২২-১০-২০১৮ ইংরেজী তারিখ হইতে ১৯-০২-২০২৩ ইং তারিখের মধ্যে মামলার বাদীর প্রতিষ্ঠান ককসবাজার জেলা অটোরিক্সা টেম্পো সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন উৎস হইতে আয়কৃত ২,৬৪,২৪০০০ টাকা প্রতিষ্ঠানের নামীয় ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান না করে বিশ্বাস ভংগ করে আত্মসাৎ করেন। যাহা সুনির্দিষ্ট বিশ্বাস ভংগ ও প্রতারণার সামিল। মামলার বাদী আবছার মিয়া বিগত ০৩/০৬/২০২৩ ইংরেজী তারিখ রাত অনুমান ৮.০০ ঘটিকার সময় আসামীদের সাথে যোগাযোগ করিলে আসামীগণ সম্পূর্ণ লেনদেন অস্বীকার করেন এবং বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করেন। এমতাবস্থায় মামলার বাদী আবছার মিয়া অনন্যোপায় হইয়া বিশ্বাস ভংগকারী, প্রতারক আসামীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট, আমলী আদালত, সদর, কক্সবাজার-এ মামলা দায়ের করেন।যাহার মামলা নং সি আর-৬২৬/২০১৩ইং, ধারা- ৪০৬/৪২০/৫০৬(২)।
বাদীর দায়ের করা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে মর্মে বিজ্ঞ আদালতের নিকট প্রতীয়মান হওয়ায় নালিশী দরখাস্থ,হলফী জবানবন্দী এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন, স্বাক্ষীদের প্রদত্ত জবানবন্দীসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অফিসার ইনচার্জ, কক্সবাজার সদর মডেল থানা, কক্সবাজারকে আদেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত।
বিজ্ঞ আদালত হইতে বিগত ২১-০৬-২০২৩ ইং তারিখে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় প্রাপ্তির পর অফিসার ইনচার্জ হইতে তদন্তভার গ্রহন করেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করা তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্রে জানাযায়, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ২০১ এবং বিধি ১৭৬(১) এর অধীন গত ১৩/১১/১৯৯০ মিঃ তারিখের চট্ট-১৪৯১ রেজিস্ট্রেশন মূলে কক্সবাজার জেলা অটোরিক্সা, টেম্পো সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন নামীয় অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানে গত ২২/০৯/২০১৮ইং তারিখ করাবাজার পৌর এলাকার বইল্যাপাড়া ডি ওয়ার্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচিনে অত্র মামলার ১নং বিবাদী জালাল উদ্দিন সভাপতি, ২নং বিবাদী নুরুল হক সাধারণ সম্পাদক, ৩নং বিবাদী আমান উল্লাহ অর্থ সম্পাদক, ৪নং বিবাদী মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি প্রচার সম্পাদক সহ বিভিন্ন পদে বিভিন্ন লোকজন আসন গ্রহণ করিয়া নির্বাচিত হয়। পরিচালনা পরিষদের সংবিধান অনুযায়ী ১ জন সভাপতি, ০১জন কার্যকারী সভাপতি, ০১ জন সহ-সভাপতি ০১ জন সাধারণ সম্পাদক, ১ জন যুগ্ম সম্পাদক, ০২ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ০১জন কোষাধ্যক্ষ, ০১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক, ১ জন সম্পাদক, ০১ জন প্রচার সম্পাদক, সম্পাদক, ০৫জন কার্যকরী সদস্যসহ মোট ১৮ জন সদস্য নিয়ে কমিঠি গঠনের কথা উল্লেখ থাকিলেও মামলার বিবাদী জালাল উদ্দীন গং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কমিটি পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। তৎসময় হতে দৈনিক ১০ টাকা হারে চাঁদা উত্তোলন এবং নতুন সদস্য ভর্তি বাবদ ২,০০০/- টাকা নির্ধারণ হয়। কক্সবাজার জেলা অফিসের আওতার বাহিরের প্রতি মাসে উখিয়া লাইনে ১০,৫০০/- টাকা, চকরিয়া ও মাতামুহুরী লাইনে ৯,০০০/- টাকা, পেকুয়া লাইনে ১১,০০/- টাকা, খুরুস্কুল লাইনে ৫,৫০০/- টাকা, ঈদগাঁও লাইন ৭০০০/ টাকা,রামু লাইনে ৯০০০/- টাকা, মহেষখালী লাইনে ৯,০০০/- টাকাসহ নতুন সদস্য ভর্তি ফি বাবদ ২,০০০/-টাকা সংগ্রহ তৎহতে ১,০০০/- টাকা প্রধান কার্যালয় এবং ১,০০০/- উপ-কার্যলয়ে জমা থাকবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উক্ত পরিচালনা পরিষদ পরিচালনার শুরুতে সদস্য সংখ্যা ১৪৩৮ জন এবং নতুন সদস্য হয় ২২০ জন। উক্ত পরিচালনা পরিষদ চলাকালে মে/২০২০ হইতে মে/২০২১ পর্যন্ত মহামারী কারোনা ভাইরাস আক্রমণ থাকায় পরিচালনা পরিষদ তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এরই মধ্যে পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক মেয়াদ শেষ হওয়ায় মহামারী করোনা ভাইরাস থাকায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক উক্ত কমিটি পরবর্তী ০২ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক অদ্যাবধি পর্যন্ত তাহাদের পরিচালনা পরিষদ কমিটি বহাল থাকিয়া তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। কক্সবাজার জেলা অটোরিক্সা, টেম্পো সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন নামীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ৩১/১২/২০১৮ইং তে ওপেনিং ব্যালেন্স হিসেবে ৩,৭৮,৮০০/- টাকা, জমা ছিল। সাক্ষীদের ভাষ্যমতে মহামারী করোনাভাইরাস কালীন ব্যতীত বিবাদী ১। মোঃ জালাল উদ্দিন, ২। নুরুল হক, ৩। আমান উল্লাহ, ৪। মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি গণের পরিচালনা পরিষদ বিগত প্রায় ৩৬ মাস তাদের কার্যক্রম চলমান ছিল। তাদের পরিচালনা পরিষদের ৩৬ মাসে উখিয়া লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬* ১০,৫০০) = ৩,৭৮,০০০/- টাকা, চকরিয়া ও মাতামহুরী লাইন থেকে সংগ্রহ ( ৩৬*৯০০০) = ৩.২৪,০০০/- টাকা, পেকুয়া লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬* ১১,০০০) = ৩,৯৬,০০০/- টাকা, খুরুস্কুল লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬* ৫,৫০০) = ১,৯৮,০০০/- টাকা, ঈদগাও লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬*৭০০০) = ২,৫২,০০০/- টাকা, মহেষখালী লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬*৯০০০) = ৩,২৪,০০০/- টাকা, রামু লাইন থেকে সংগ্রহ (৩৬*৯০০০) = ৩,২৪,০০০/- টাকাসহ সদরের বাহিরের লাইন থেকে কল্যানফা-ে মোট ২১,৯৬,০০০/- টাকা চাঁদা উত্তোলন করা হয়। খরচ ব্যতীত সদরের ০৭টি পয়েন্ট থেকে দৈনিক গড়ে ৫০০/- টাকা করিয়া জেলা কমিটিতে দৈনিক জমা ৩,৫০০/- টাকা করিয়া ৩৬ মাসে মোট জমা (৩৫০০* ৩০ *৩৬) = ৩৭,৮০,০০০/- টাকা, মোট জমাকৃত টাকার পরিমাণ ৫৯,৭৬,০০০/- টাকা + ব্যাংকে জমাকৃত ইজা ৩,৭৮,৮০০/- টাকা + সদরে নতুন সদস্য নিয়োগ বাবদ অর্থ প্রাপ্তি (২২০ * ১০০০) = ২,২০,০০০/- টাকা + ২০০ টাকা হারে ১,৪৬০ জন সদস্য নবায়ন বাবদ অর্থ প্রাপ্তী ( ১৪৬০*২০০) = ২,৯২,০০০/- টাকাসহ সর্ব কমিটির কার্যকালীন মোট অর্থ প্রাপ্তি ৬৮,৬৬,৮০০/- টাকা। তৎমধ্যে কমিটির সভাপতি অর্থাৎ বিবাদী জালাল উদ্দিন কর্তৃক উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনায় তাদের বিভিন্ন খাতে খরচের পরিমাণ ১৪,৫১,৫৯৩/- টাকা। খরচ ব্যতীত ৫৪,১৫,২০০/- টাকা অবশিষ্ট আছে। সংবিধান অনুযায়ী কেহই সংগঠনের আদায়কৃত টাকার মধ্যে ৫০০/- টাকার বেশি নগদ অর্থ হাতে রাখতে পারবে না। সংবিধানের গঠন তন্ত্রের বিধি অনুযায়ী ব্যাংকে ৫৪,১৫,২০৭/- টাকা জমা থাকার বিধান থাকিলেও গত ২৫/০৫/২০২৩ইং তারিখ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ৫,৮৮৪/- টাকা জমা আছে। বাদী, সাক্ষীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উক্ত টাকার হিসাব চাহিলে তাহারা টাকার হিসাব নিতে পারেন নাই। সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং কাগজপত্র পর্যালোচনায় এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দৃষ্টে বিবাদী ১। মোঃ জালাল উদ্দিন, ২। নূরুল হক ও আমান উল্লাহ, ৪। মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি গণ পরস্পর যোগসাজসে সংগঠনের ৫৪,০৯,৩২৩/- টাকা আত্মসাৎ করিয়াছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। অত্র মামলার ৫ নং বিবাদী নজির আহামাদ একজন লাইনম্যান। সে পরিচালনা পরিষদের কোন সদস্য নয়। সে ১-৪ নং বিবাদীগণের সমর্থক মাত্র। বিবাদী নজির আহাম্মদ টাকা আত্মসাৎ কিংবা পরিচলনা পরিষদের কোন জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। নাই। অপর দিকে বিবাদীগণ ২,৬৪,২৪,০০০/- টাকা আত্মসাৎ করিয়াছে মর্মে বাদী তাহার এজাহরে উল্লেখ করিলেও আমার সার্বিক তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সংগঠনের ৫৪,০৯,৩২৩/- টাকা আত্মসাৎ করিয়াছে তদন্তে জানা যায়। অবশিষ্ট টাকার বিষয়ে কোন দালিলিক সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। বাদী কিংবা সাক্ষীগণও এই সংক্রান্তে কোন তথ্য কিংবা দালিলিক সাক্ষ্য প্রমাণ প্রদান করিতে পারেন নাই বলে তদন্ত কর্মকর্তার বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।