শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত মহেশখালীতে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার কক্সবাজারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ,ভাংচুর অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সকল ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কুতুবদিয়ার মাছ ধরার ট্রলার ডুবি: মাঝিমাল্লা উদ্ধার মহেশখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গ্যারেজ মালিক মামুনের মৃত্যু মাতারবাড়ীতে ৫শ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে ইন্দোনেশিয়া “অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে” উত্তরণ মডেল স্কুল ও কলেজে কিশোর কিশোরীদের দক্ষতা উন্নয়নে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে জলবায়ু ন্যায্যতা ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত রামুতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নতুন ভবন ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি

হোয়াইক্যং খারাংখালী সীমান্তে খালাসের সময় কোটি কোটি টাকার ইয়াবা লুটের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ৪৫০ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক :
টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে একটি বড় ধরনের ইয়াবার চালান খালাস এবং ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এরই সূত্রধরে আইন-শৃংখলা বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে তুমুল হৈ চৈ চলছে ।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১লা মে ভোররাতে হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের মন্ডু জেলার আকিয়াব থানার নাগাকুরার কুয়ার বিলের নুরুল ইসলাম ও আইয়ুব আলী এবং কেয়ারী পাড়ার ছৈ থৈা মং প্রকাশ কেটি রাখাইনের প্রেরিত ৪লাখ ইয়াবার চালান হোয়াইক্যং কম্বনিয়া পাড়ার পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র শামসুল আলম, পূর্ব মহেশখালীয়াপাড়াস্থ নতুন পাড়ার জহির আহমদের পুত্র আব্দুর রহিম প্রকাশ মেজর সিন্ডিকেটের জন্য প্রেরণ করে। ভোর হওয়ায় এই মাদকের চালানের কিছু অংশ প্রায় ৭০-৮০ হাজার ইয়াবা নাছর পাড়ার কয়েকজন লোক ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকৃত ইয়াবার চালান উদ্ধার করতে হৈ চৈ শুরু হলে এই খবর আইন-শৃংখলা বাহিনীর কানে পৌঁছে যায়। তখন আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বিশেষ বাহিনীর অভিযানে ইয়াবা জব্দের ঘটনায় এই ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসে।
এছাড়া পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার শাহাব মিয়ার ছেলে হারুন, মোজাহার মিয়ার পুত্র মীর কাশেম, মোহাম্মদ আলীর পুত্র শামসুল আলম, লালুর ছেলে হারুন, নয়াবাজার পূর্ব পাড়ার সোনা আলীর পুত্র নুরুল আলম, এজাহার মিয়ার পুত্র সাদেক হোসেন ও ইউনুছ গ্যাং মিলে প্রায় ৭০/৮০হাজার ইয়াবার চালান লুট করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে ।
এই ব্যাপারে আব্দুর রহিম প্রকাশ মেজর বলেন, এই বিষয়ে আমি কোন কিছুই জানিনা। আমি এই ধরনের কাজে জড়িত না।

এই বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা বলেন,অবশ্যই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান,সঠিক তথ্য পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs