এম.এ.কে.রানা,মহেশখালী।
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের খালী জায়গায় ৫শ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে করবে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি পিটি পারতামিনা পাওয়ার।
সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড ও পিটি পারতামিনা পাওয়ার ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও পারতামিনা পাওয়ার ইন্দোনেশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক পরিচালক ফাদলি রহমান চুক্তিতে সই করেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিরু হারতান্তো সুবুলো।
জানা যায়, বাংলাদেশ কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড ও ইন্দোনেশিয়ার পিটি পারতামিনা পাওয়ার সমান অংশীদারত্বের ভিত্তিতে নতুন একটি যৌথ কোম্পানি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৃহৎ এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। যৌথ এ বিনিয়োগে বাংলাদেশ জমি দেবে এবং প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন করবে পারতামিনা।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানার কোম্পানি পারতামিনা পাওয়ারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্বারক সই হলো। এই সমঝোতার আলোকে ৫০০ মেগাওয়াট সোলার প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে তারা। এই প্রকল্পে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। এজন্য যৌথ একটি কোম্পানি গঠন করে ৫০ শতাংশ করে শেয়ারে মালিকানায় থাকবে পারতামিনা ও বাংলাদেশ কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে ১১টি সৌরভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৫২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৯টি পিপিএ-আইএ স্বাক্ষরিত প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬৯.২৭ মেগাওয়াট। বেসরকারি খাতে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২৯টি এলওআই স্বাক্ষরিত প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৬০৮ মেগাওয়াট। নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।