শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬ শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখার পরিচিতি সভা সম্পন্ন ঈদগাঁওতে ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড -কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ২ শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক লাপাত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকারী সহ আটক-৮ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তালেব আস্থার প্রতীক টেলিফোন বলছেন উপজেলাবাসী উখিয়ার লাল পাহাড়ে র‍‍্যাবের অভিযানে আরসা’র প্রধান সহ আটক-২ ২১ বছর পর মায়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ অনাথ শিশুকে বুঝিয়ে দিলেন ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামান! খুটাখালীতে বালু উত্তোলনকারী নাম বাদ দিয়ে নিরহ লোকের নামে অপপ্রচার ছোট মহেশখালী রাহাতজান পাড়া জামে মসজিদের মাইক চুরি

ভূমিদস্যুতায় জাতির জনকের নাম ব্যবহারে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮১ বার পঠিত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে “মুজিবনগর” নাম ব্যবহার করে ভূমিদস্যু কর্তৃক বিচারক পরিবারের ব্যক্তি মালিকানাধীন সামাজিক বনায়ন অবৈধভাবে দখল চেষ্টায় সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
সোমবার বিকেলে শহরের লালদিঘীর পাড়স্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের পরিস্কার বক্তব্য তুলে ধরেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী।
এসময় কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমদুল করিম মাদু, খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন চেয়ারম্যান বক্তব্য রাখেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে-চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নিয়ে দখলবাজদের কথিত সংবাদ সম্মেলন ও মানহানিকর মানববন্ধনের অজুহাতে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর অসত্য কিছু খবর প্রকাশ হয়। যা খুবই দুঃখজনক।
বিশেষ করে নেক্কারজনক ওই ঘটনায় সরকারি দল তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে “মুজিবনগর” ব্যবহার করে জনৈক ভূমিদস্যু কামাল উদ্দিন কামাল ও তার ছোট ভাই শেখ কামাল মেম্বারের নেতৃত্বে চিহ্নিত একটি ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট এই অপতৎপরতা চালায়।
যা চরমভাবে আমাদের দলের মানক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু কিংবা তাঁর পরিবারের নামে কোন কিছু নামকরণ হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ ট্রাস্টের অনুমতি লাগে। অথচ, দখলদাররা অন্যের জমি দখল করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য “মুজিবনগর” নাম ব্যবহার করে যে দৃষ্টতা দেখিয়েছে সেদিক দিয়েও একটা মারাত্মক অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শুধু তাই নয়, কৌশলী দখলবাজদের কয়েকটি ব্যনারে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহার করাও দু:খজনক।
কারণ তিনি তথাকথিত ওই “ভূমিহীন পুণর্বাসন প্রকল্পের” বিষয়ে কিছুই জানেন না।
শুধু মেয়র নন, জেলা প্রশাসক কিংবা স্থানীয় চেয়ারম্যান হিসেবে আমিও যেখানে অবগত না সেখানে কথিত ওই প্রকল্প সম্পর্কে সরকারের সংশ্লিষ্ট কেউ জানার প্রশ্নই আসেনা।
সেটি মুলত: ওই ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের ভয়াবহ দস্যুতার বহিঃপ্রকাশ। কারণ, তারা ইতিপূর্বেও খুন, চাঁদাবাজী, দখলবাজী ও আইনশৃংখলা বাহিনীর উপর হামলাসহ অসংখ্য জঘন্য ঘটনা ঘটিয়ে খুরুশকুলের শান্ত পরিবেশটাকে অশান্ত করে তুলেছে। দুই ভাইয়ের নামে অসংখ্য মামলাও রয়েছে থানা এবং আদালতে।
কক্সবাজারের অহংকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্র, বাংলাদেশ জাজ নিয়োগ পরীক্ষায় ২৯তম স্থান অধিকার করা ছাত্র কামাল উদ্দিনকে জামায়াত বলে অপপ্রচার চালানো খুবই দুঃখজনক। তাদের জানা উচিত, সিনিয়র সহকারী জজ কামাল উদ্দীনের বাবা যখন দলের দুঃসময়ে তৃণমূলে নিবৃতে কাজ করেছেন তখন আজকের অনেক নেতা কেবলই সুবিধা ভোগ ছাড়া কিছুই করেননি।
২০১৪ সালের পরে যারা দলে যোগ দিয়েছে তারা সুসময়ে সুবিধা নেয়ার লোভী হাইব্রিড।
আর সেই হাইব্রিড কিছু সুবিধাভোগী ব্যক্তি দলের প্রকৃত ও নিবেদিত প্রাণ একটা পরিবারের মালিকানাধীন ভূমি রাতের আধারে জোরপুর্বক দখল করে আবার সেই পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
২০১৪ সালের পরে দলে এসে দলের ত্যাগী নেতা কি করে হয় তা বোধগম্য নয়। খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছে।আমাদের জানামতে, রফিকুল ইসলাম খুরুশকুলের প্রখ্যাত আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তিনি খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ২০১৩ সালের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ১নং ওয়ার্ডের ৫নং কাউন্সিলর ও সদস্য।
তাঁর চাচা আমানুল হক চৌধুরী খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। তাঁর আরেক চাচা নবিউল হক চৌধুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। রফিকুল ইসলামের চাচাতো ভাই বোরহান চৌধুরী বর্তমান খুরুশকুল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
সুতরাং দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত একটি আওয়ামী লীগ পরিবারের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে সত্যিই পীড়াদায়ক ও বেদনার। আমাদের বিশ্বাস- এখনি সময় এসেছে, সুবিধাবাদী ও আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করে বিভিন্ন অপরাধ সংগঠনসহ অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে দলের হাই কমান্ড শীঘ্রই যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সেটাই খুরুশকুলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিম উদ্দিন, খুরুশকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান শিকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সরোয়ার আলম, আমিনুল ইসলাম, আবু তাহের, খুরুশকুল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কাজী দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী তামজিদ পাশা, খুরুশকুল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম শামিমসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs