শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬ শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখার পরিচিতি সভা সম্পন্ন ঈদগাঁওতে ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড -কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ২ শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক লাপাত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকারী সহ আটক-৮ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তালেব আস্থার প্রতীক টেলিফোন বলছেন উপজেলাবাসী উখিয়ার লাল পাহাড়ে র‍‍্যাবের অভিযানে আরসা’র প্রধান সহ আটক-২ ২১ বছর পর মায়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ অনাথ শিশুকে বুঝিয়ে দিলেন ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামান! খুটাখালীতে বালু উত্তোলনকারী নাম বাদ দিয়ে নিরহ লোকের নামে অপপ্রচার ছোট মহেশখালী রাহাতজান পাড়া জামে মসজিদের মাইক চুরি

পর্যটকদের নজর খাড়চ্ছে নাইক্ষ্যংছড়ির সোনালী ঝর্ণা,তইরাং ঝর্ণা,পরী ঝর্ণা!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯৮ বার পঠিত

মোঃ সাইদুজ্জামান সাঈদ

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা থেতে বিছামারা গ্রামে থেকে ২০ মিনিট সময় দুরত্বে তইরাং ঝর্ণার অবস্থান, এটি নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের আওতাধীন জারুলিয়াছড়িতে অবস্থিত, যাকে অনেক পরী ঝর্ণা বলে ডাকেন। এই ঝর্ণার পাথর থেকে পাথরে পড়ে, আর ঝর্ণার চারদিকে ২-৩ ফুট উচ্চ পাথরের বেষ্টনী। পরীদের সুন্দর ও নিরাপদ বাসযোগ্য একটা ভৌতিক স্থান। ঝর্ণার পানির ঝমঝম আওয়াজ টা আরও বেশি ভৌতিক। অপরটি নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়নের চাকঢালা বাজার থেকে ২-৩ কিলোমিটার দুরত্বে তিনটি প্রকৃতিক ঝর্ণা রয়েছে তার মধ্যে একটি সোনালী ঝর্ণা। এটি পর্যটনের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ-সব ঝর্ণার সুন্দর দৃশ্য না দেখলে বুঝা যাবেনা প্রকৃতির অপরুপ লীলাভুমি এত মনোমুগ্ধকর। বছর বছর এসব ঝর্ণায় পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার পরতে পরতে ছুঁয়ে আছে প্রকৃতির এক অনাবিল শান্তির পরশ। চারদিক পাহাড় আর সবুজ বেষ্টনির পাথানলে মনে হবে প্রকৃতি তার মনোমুগ্ধতা দিয়ে মুখরিত করে রেখেছে প্রকৃতিকে। প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হবে যেকোনো ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। ঝুম ঝুম শব্দে বয়ে চলা ঝর্ণাধারায় গা ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে সজীব করে তুলছে ঝর্ণা ধারায়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ নিদর্শন ঝর্ণা বা জলপ্রপাত। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততা ফেলে ঝর্ণা জলে ভিজতে কার না ভালো লাগে। রূপলাবণ্যের বাংলাদেশে পাহাড়-নদী সবুজে শ্যামলে সৌন্দর্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে ভ্রমণ পিপাসুদের। দরকার শুধু একটু সময়ের। মনকে দু’দণ্ড শান্তি দিতে ঘুরে আসতে পারেন অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য জেলা বান্দরবান এর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের সোনালী ঝর্ণা ও তইরাং বা পরী থেকে। কিন্তু এসব প্রকৃতিক ঝর্ণা যাওয়ার কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। পর্যটকদের কাঁদা-পানি, পাহাড়ি পথে অনেক কষ্টে যেতে হয়। তবে এক্ষেত্রে সরকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত আর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করল পর্যটকরা অবাধে ভ্রমণ করতে পারবে। নাইক্ষ্যংছড়ির বহুল পরিচিত পর্যটন লেকের পাশাপাশি নতুন পর্যটন শিল্পের ধার উন্মোচন হবে বলে স্থানীয়দের অভিমত। কক্সবাজার থেকে আসার একজন পর্যটক চালা মারমা সোনালী ঝর্ণা থেকে ফিরে জানান, ঝিরিপথ দিয়ে হাঁটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়েছে আমাদের। তারপরও দুই বন্ধু পা পিচ্ছিলে পড়ে যায়। এক বন্ধুর পা কেটে যায়। ঝিরিপথের পানির উপর দিয়ে দীর্ঘ সময় ঘণ্টা হাঁটার পর ঝর্ণা দেখতে পাই। চমৎকার দৃশ্য দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যায়, সৃষ্টিকর্তার অপরূপ সৃষ্টি। বিস্ময়কর এই ঝর্ণাটির আকার আকৃতি ও গঠনশৈলির দিক দিয়ে এটা নিঃসন্দেহে ভ্রমণ পিপাসুদের বাড়তি আনন্দ দেবে। প্রাকৃতিক ঝর্ণার যৌবন হলো বর্ষাকালে। বর্ষাকালে প্রচন্ড গতিতে জলধারা গড়িয়ে পড়ে। বর্ষাকালেই ঝর্ণার প্রাণ ফিরে পায়। তাই বর্ষাকালেই ঝর্ণা দর্শন ভালো দিক। তবে পাহাড়ধস বা পাহাড় ধসের সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। ভারী বর্ষণ হলে ঝিরিপথে পানির স্রোত বেশি থাকে। ঝর্ণার পাথর গুলো পিচ্ছিল হয় এতে ঝুঁকিপূর্ণ বৃদ্ধি পায়। পাহাড়ী এলাকা বলে নিরাপত্তার কারণে দ্রুত সময়ে ফিরে আসতে হয়। সব মিলিয়ে ভ্রমণ পিপাসুদের নতুন কিছু আনন্দ দিবে। এই ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ির নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস জানান, পর্যটন নিয়ে যেকোনো ধরনের বাজেট হলে অবশ্যই এইসব ঝর্ণায় যাওয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা বা রাস্তা হয়ে যাবে। তিনি জানান, আমি নাইক্ষ্যংছড়িতে নতুন জায়গা গুলো চিনি না। আমি এসব ঝর্ণাতে অবশ্যই পরিদর্শন যাবো। এরপর পর্যটকদের জন্য যাতায়াতে সব ধরণের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে দিবো অবশ্যই করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs