সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি মাতারবাড়ীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ মহেশখালী প্রেসক্লাবে প্রয়াত সাংবাদিক শফিকুল্লাহ খানের স্মরণে দোয়া মাহফিল কক্সবাজার পৌরশহরে বাদশাঘোনায় পাহাড় ধ্বসে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মুৃত্যু! ছোট মহেশখালীতে নিখোঁজ মা-ভাইয়ের সন্ধান পেতে সন্তানের আকুতি খোন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বর্ষার শুরুতেই কক্সবাজারের উখিয়ায় দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস,নিহত-১১ কক্সবাজারে ‘মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রামুতে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ঢাকায় এসি বিস্ফোরণ: জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন মহেশখালী মাতারবাড়ীর আবদুল মান্নান

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা পরেও সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে কক্সবাজার জেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ৫৪ বার পঠিত

আলিম উদ্দিন,কক্সবাজার:
কক্সবাজার জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতা’র অধিকাংশ গ্রাহক সীমাহীন দুর্ভোগ আর ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে,এমনটি অভিযোগ জেলার পল্লি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের।

গত ২৫ মে আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক জেলায় ৯ নং বিপদ সংকেত ঘোষণার আগে থেকেই ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর কারণে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনগুলো বন্ধ রাখা হয় কিন্তু ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা পরে অতিমাত্রায় লোডশেডিং করে কিছু গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ দিলেও এখনো অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

গ্রাহকদের অভিযোগ,ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর আঘাতে জেলার কয়েকটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও তেমন বড় ধরনের কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি যে,গ্রাহকদের এখনো পর্যন্ত বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত রাখবে।

সদর উপজেলার খুরুস্কুল ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক ফরিদুল আলম জানায়,গত দুইদিন ধরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় শারীরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নিজ ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটেছে এবং ঝড় বৃষ্টি’র আঁধার রাতে কাটছে জনজীবন।

জেলার জোনাল অঞ্চলগুলোর অধিকাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানায়,চলতি বছরের শুরু থেকেয় অতিমাত্রা লোডশেডিং আর অতিরিক্ত বিদ্যুৎবিল গ্রামীণ জনজীবনে পল্লী বিদ্যুতের প্রতি অসস্তির জন্ম দিচ্ছে, তারই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর দোহাই দিয়ে এখনো অধিকাংশ এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ।
গ্রাহকরা জানায়,বিদ্যুতায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অলসতা আর উর্ধতম কর্তৃপক্ষের নজরদারী না থাকায় পল্লী বিদ্যুতের সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।

কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মকবুল আলম জানায়, জেলায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর কারণে বিদ্যুৎ লাইনে তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও অতিমাত্রায় বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে অপ্রতিকর দুর্ঘটনা এড়াতে জেলার সকল গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব ছিলো না,তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার মধ্য দিয়ে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সঠিক সময়ে অধিকাংশ গ্রাহক কে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন তারা,

তিনি জানায়, কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’র আওতাধীন ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার গ্রাহকের মাঝে ইতিমধ্যেই ৪ লক্ষ ১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন,বাকি ৬৫ হাজার গ্রাহককে সংযোগ লাইনের ত্রুটি নিরসন করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs