সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশখালীতে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি মাতারবাড়ীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ মহেশখালী প্রেসক্লাবে প্রয়াত সাংবাদিক শফিকুল্লাহ খানের স্মরণে দোয়া মাহফিল কক্সবাজার পৌরশহরে বাদশাঘোনায় পাহাড় ধ্বসে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মুৃত্যু! ছোট মহেশখালীতে নিখোঁজ মা-ভাইয়ের সন্ধান পেতে সন্তানের আকুতি খোন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বর্ষার শুরুতেই কক্সবাজারের উখিয়ায় দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস,নিহত-১১ কক্সবাজারে ‘মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রামুতে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ঢাকায় এসি বিস্ফোরণ: জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন মহেশখালী মাতারবাড়ীর আবদুল মান্নান

খুটাখালীতে জালিয়াতি করে মোটা অংকের টাকায় রোহিঙ্গা নাগরিকের এনআইডি করার শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৭ বার পঠিত

—–
চকরিয়ার খুটাখালীতে জায়িলাতি করে মোটা অংকের টাকায় রোহিঙ্গা নাগরিকের এনআইডি করার অভিযোগ নামের শীর্ষক সংবাদটি আমি প্রতিবাদকারীর দৃষ্টি গোছর হয়। এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ। উক্ত সংবাদে আমার সহজ-সরল চাচা মোঃ রহমানকে রোহিঙ্গা বলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন খুটাখালী ইউপির গর্জনতলী এলাকার আবদুল গনির ছেলে আবদুল খালেক (এন.আই.ডি- ৭৭৬১৪৩৬৩৫৬)। তিনি আমার চাচাকে প্রমাণ বিহীন রোহিঙ্গা উল্লেখ করে এনআইডি বাতিলের জন্য গত ৮ ফেব্রæয়ারী দরখাস্ত করেন। দরখাস্তের রিসিভ কপি নিয়ে টাকার বিনিময় এক সংবাদকর্মী ভাইকে ভুল বুঝিয়ে রোহিঙ্গা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী দাবি করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারী দৈনিক রূপালী সৈকত ও সিবিএন অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করান।

সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যাঃ-
টেকনাফ মৌচনী ক্যাম্পের ইউএনএইচসিআর এর অন্তর্ভূক্ত এমআরসি নং- ২৫৫২৫-এ এর নিবন্ধনধারী রোহিঙ্গা নুর নাহারসহ তার পরিবারকে খুটাখালী গর্জনতলীতে রিজার্ভ বনভূমি বিক্রি করে আশ্রয় দেন খালেক সহ সুবিধাভোগী কথেক লোক। রোহিঙ্গা নুর নাহার বনভূমির পাহাড় কেটে ঘর করার সময় গত ২০২১ সালে ২৫ ফেব্রæয়ারী সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ উচ্ছেদ করতে গিয়ে খালেকসহ রোহিঙ্গার শুভাকাঙ্খীদের কাছে হামলার শিকার হয়। হামলার দায়ে মামলা করেন বনবিভাগ। রোহিঙ্গা নুর নাহার অবশেষে রোহিঙ্গা প্রমাণিত হওয়ায় গত ২০২৩ সালের ৬ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ, থানা পুলিশ ও বিজিবি এসে রোহিঙ্গা নুর নাহারসহ তার পরিবারকে ধরে তাদের ভোটার ও জন্ম নিবন্ধন জব্দ করে উপজেলায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদেরকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়। এই উচ্ছেদের জের ধরেই, আমার পরিবার নিয়ে একের পর এক হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা সহ নানান গুজব ছড়িয়ে বেড়ায়। যাহা প্রমাণ বিহীন। খালেকের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে কয়েকজন সংবাদকর্মী গেলে কর্মকর্তা মোঃ ইরফান উদ্দিন বলেন, অভিযোগকারী কেবল লিখিত একটা অভিযোগই দিয়েছেন সঙ্গে কোন ডকুমেন্টস দেয়নি। তাকে প্রমাণ সহ নিয়ে আসতে বলা হলেও অভিযোগকারী আর আসেন নি। আমার চাচাকে প্রমান বিহীন রোহিঙ্গা বলে অভিযোগ করে ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের পরিবারের মানক্ষুন্ন করার দায়ে আমরা অভিযোগকারীও সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রেখেছি। রোহিঙ্গা নুর নাহারকে যেমন ক্যাম্পের ডকুমেন্টস সহ রোহিঙ্গা প্রমাণিত করা হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করলাম পারলে আপনারাও আমাদের বিরুদ্ধে ডকুমেন্টস নিয়ে হাজির হউন। মনে রাখবেন আপনি অভিযোগকারী (খালেক) আপনার দাদার পূর্বের বাড়ী কোথায়? সাপ মারতে গিয়ে কেঁচু বের হবে কিন্তু!। সেই রোহিঙ্গা যে আপনাদের রক্তের আত্মীয় বলে বেড়াতেন, তা কি ভুলে গেছেন। রোহিঙ্গা নুর নাহার চলে যাওয়ায়, এখানে থাকতে তার অনৈতিক কর্মকান্ডের টাকা এখন না পেয়ে আপনিসহ আরো অনেকেই পাগল পারা হয়ে উঠেছেন। টাকা নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করা সহ আপনার অনৈতিকতা এলাকার সচেতন মহলের কাছে উন্মোচন হয়ে গেছে।

প্রতিবাদকারীঃ
রমিদা আকতার
পিতা- ছৈয়দ আলম
গর্জনতলী, খুটাখালী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs