শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬ শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখার পরিচিতি সভা সম্পন্ন ঈদগাঁওতে ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড -কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ২ শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক লাপাত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকারী সহ আটক-৮ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তালেব আস্থার প্রতীক টেলিফোন বলছেন উপজেলাবাসী উখিয়ার লাল পাহাড়ে র‍‍্যাবের অভিযানে আরসা’র প্রধান সহ আটক-২ ২১ বছর পর মায়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ অনাথ শিশুকে বুঝিয়ে দিলেন ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামান! খুটাখালীতে বালু উত্তোলনকারী নাম বাদ দিয়ে নিরহ লোকের নামে অপপ্রচার ছোট মহেশখালী রাহাতজান পাড়া জামে মসজিদের মাইক চুরি

কুতুবদিয়ায় নিস্তব্ধ জেলে পল্লী, চরম ভোগান্তিতে দিনাতিপাত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ৩৬৪ বার পঠিত

মিজানুর রহমান।
একদিকে সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ, অন্যদিকে করোনার অন্য কাজও নেই। এ কারণে দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার জেলেদের চরম দূর্দিন চলছে জীবনযাপন। সংসারের খরচ বহন, সুদের হার বৃদ্ধি ও সুদ-আসল টাকা পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত এ অঞ্চলের জেলেরা। আয় রোজগারহীন ভাবে দীর্ঘদিন বেকার সময় কাটানোর ফলে অনেকের ঘরে চুলায় এখন আগুন জ্বলছে না। এমন অবস্থায় বঙ্গোপসাগরে ঘেরা কুতুবদিয়া দ্বীপের জেলে পল্লীগুলোতে হাহাকার চলছে।

জানা যায়, নিবন্ধিত প্রতি জেলেকে ৬৫ দিনের জন্য ৮৪ কেজি করে চাউল দেয়া হয়। তার মধ্যে ৫০ কেজি চাউল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এ উপজেলায়। সরকারের দেয়া চাউল দিয়ে তাদের সংসার চলে না। এছাড়া উপজেলা মৎস অধিদপ্তর অনিবন্ধিত এমন জেলেদের সবাই এ চাউল পায়। নিবন্ধিত জেলের চেয়ে অনিবন্ধিত জেলে রয়েছে তার চেয়ে দ্বিগুণ বেশি। তবে তাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানান স্থানীয় জেলেরা।

স্থানীয় জেলে বাদশা, শুক্কুর ও গিয়াস উদ্দিন জানান, কঠোর লকডাউন ও ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষেধ থাকার কারণে বেকারত্ব জীবনযাপন করছি। সংসারের খরচ ও সুদি মহলের সুদ-আসল পরিশোধের জন্য চাপের মুখে থাকলেও করার কিছু নেই। মাছ ধরা বন্ধ, সংসার চালাবো কিভাবে? সরকার যে সহায়তা দেয় তাও সামান্য।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আইয়ুব আলী জানান, কুতুবদিয়ায় সর্বমোট জেলে ১৯ হাজার ৪শত ১৮ জন। এর মধ্যে নিবন্ধিত জেলে ৮ হাজার ৪শত ৫৯ জন। অনিবন্ধিত জেলে ১০ হাজার ৯শত ৫৯ জন। অনিবন্ধিত জেলেদের কে নিবন্ধনের আওতায় আনা প্রক্রিয়া চলছে। সাগরে মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় সরকার ৬৫ দিনের জন্য জন প্রতি ৮৬ কেজি করে চাউল দেয়া শুরু করেছে। ইতোমধ্যে জন প্রতি ৫০ কেজি চাউল দেয়া হয়েছে। বাকী চাউলগুলো শীঘ্রই দেয়া হবে। এছাড়া জেলেদের জন্য আপাতত আর কোন নতুন করে খাদ্য সামগ্রী দেয়ার নির্দেশনা এখনও পায়নি বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs