শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬ শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখার পরিচিতি সভা সম্পন্ন ঈদগাঁওতে ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড -কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ২ শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক লাপাত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকারী সহ আটক-৮ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তালেব আস্থার প্রতীক টেলিফোন বলছেন উপজেলাবাসী উখিয়ার লাল পাহাড়ে র‍‍্যাবের অভিযানে আরসা’র প্রধান সহ আটক-২ ২১ বছর পর মায়ের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ অনাথ শিশুকে বুঝিয়ে দিলেন ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামান! খুটাখালীতে বালু উত্তোলনকারী নাম বাদ দিয়ে নিরহ লোকের নামে অপপ্রচার ছোট মহেশখালী রাহাতজান পাড়া জামে মসজিদের মাইক চুরি

কখন শুরু হবে নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ “আতঙ্কে ৪০০পরিবার”

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১৬৫ বার পঠিত

জিয়াউল হক জিয়া:

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাতামূহুরী নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু না করায়, উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটায় পানির স্রোতে প্রতিদিন ভেঙে পড়ছে নদীর বাঁধ।ভাঙ্গণ কবলে পড়ে সর্বহারা হতে পারে কৈয়ারবিল ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৪শত বানবাসী পরিবার।এমন অভিযোগ স্হানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের।

সরজমিন গেলে দেখা যায়, মাতামুহুরী নদীর ভাঙনে কৈয়ারবিলের দ্বীপ কুল ও লক্ষ্যারচরের পশ্চিম সীমানায় মৃত ফকির আহমেদের পুত্র শাহ আলমের সেচ প্রকল্পের ঘর হয়ে পূর্ব দিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।এছাড়া লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড জয়নালের মুদির দোকান হতে পূর্ব দিকে লক্ষ্যারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাড় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শেষ প্রান্তে।
লক্ষ্যারচর-কৈয়ারবিল-বরইতলীর সংযোগ সড়কটি ব্যস্ততম সড়ক।তিন ইউনিয়নের সকল পেশাজীবি মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা।গেল বর্ষার বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় সড়কটি ভেঙে নদীর বুকে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। আর মাত্র ৫/৬ফিট সড়ক ভেঙে নদীতে পতিত হলে চলাচলের সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে পড়বে।এখনো যানবাহন সহ সাধারণ জনগণের ভোগান্তির অন্তহীন কারণ হয়ে দাড়িঁয়েছে।এরই মধ্যে যদি আবারও ভারী বর্ষণে বন্যা সৃষ্টি হয়।তখন কেউ সড়কটি রক্ষা করতে পারবেনা।তাই বানবাসীরা জিওব্যাগ দিয়ে নিজের রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।স্হানীয়রা জানতে ইচ্ছুক কখন শুরু হবে নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ।

তবে মাতামূহুরী নদীর তীরবর্তী পশ্চিমে কোণাখালী ও বিএমচর পয়েন্টের ২শত মিটার পর্যন্ত নদী ভাঙ্গণ রোধ কাজ চলমান।যদিও বা জিওব্যাগ দিয়ে আপদকালীন জরুরী মেরামত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক কাজটি করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান,চকরিয়াস্হ প্রবাহমান
মাতামূহুরীর নদীর মধ্যখানে কৈয়ারবিল ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে জায়গাটুকু অরক্ষিত রেখে পশ্চিম দিকে সংস্কার করলে কোন দিকের বাঁধ রক্ষা হবে না।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের চকরিয়া উপজেলার দায়িত্বরত সিও জামাল মোর্শেদ বলেন,উপজেলার কোণাখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের এলাকাটি আমাদের অধীন নহে।আমাদের অধীনে থাকা কোণাখালী ও বিএমচর ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গন রোধের রক্ষার কাজ শুরু করে দিয়েছি।দ্রুতগতি কাজ চলছে।সম্প্রতি কিছু সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।

বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের চকরিয়া উপজেলার দায়িত্বরত সিও গিয়াস উদ্দিন বলেন,চকরিয়ার কৈয়ারবিল ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়নস্হ মাতামূহুরী নদীর বেড়িবাঁধের কাজ আমরা কিছুদিনের মধ্যে শুরু করব।ইতিমধ্যে কাজ করার জন্য লোকজন কালেক্ট করা হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন,উপজেলার পশ্চিম দিকে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধের কাজ কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক শুরু করা হয়েছে।মধ্যখানে কৈয়ারবিল ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের কাজটি বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক করা হবে।জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এতেও সময় বিলম্ব করলে বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ করা হবে।তবে পানি উন্নয়ন জানিয়েছেন কয়েকদিনের মধ্য তারা কাজ শুরু করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs